‘জঙ্গি নেই’ দাবির দিনই চারজন গ্রেপ্তার

‘জঙ্গি নেই’ দাবির দিনই চারজন গ্রেপ্তার
ছবি: সৌজন্যে
Advertisement
Advertisement

দেশে জঙ্গিবাদ নেই বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবির দিনই ঢাকার কামরাঙ্গীরচর ও কেরাণীগঞ্জ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও ড্রোনসহ নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. ইমরান চৌধুরী, মো. মোস্তাকিম চৌধুরী, রিপন হোসেন শেখ এবং আবু বক্কর। তারা নাশকতার পরিকল্পনা করছিল বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

মঙ্গলবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযানে চালিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিবি রমনা বিভাগের একটি দল তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

একই দিন জঙ্গিবাদ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমি ওই শব্দকে (জঙ্গিবাদ) রিকগনাইজ করি না। আমাদের দেশে এরকম কোনো তৎপরতা নেই। কিছু এক্সট্রিমিস্ট গ্রুপ থাকে—পৃথিবীর সব দেশেই এরকম অ্যাক্টিভ থাকে। কিন্তু সে বিষয়ে আপনি যে শব্দ উচ্চারণ করলেন, আমাদের দেশের বর্তমান কালচারে সেটা এখন আর নাই-ই।’

আরও পড়ুন

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আগে সেই শব্দটা উচ্চারিত হতো ফ্যাসিবাদী আমলের সময়; তারা নিজস্ব রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য এগুলোকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করত। বর্তমানে বাংলাদেশে সেগুলোর এক্সিস্টেন্স নেই।’

পুলিশ জানায়, কামরাঙ্গীরচর থানাধীন তারা মসজিদ সংলগ্ন কয়লাঘাট এলাকার একটি বাসা থেকে মঙ্গলবার ভোর ৩টা ৫ মিনিটে ইমরান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সকাল ৫টা ৪০ মিনিটে কেরাণীগঞ্জের জিয়ানগর এলাকা থেকে মোস্তাকিম চৌধুরীকে এবং একইদিন দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে কামরাঙ্গীরচরের রসুলপুর শিকসন ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে রিপন হোসেন শেখ ও আবু বক্করকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযান চলাকালে তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ওয়ান শ্যুটারগান, ১৪ রাউন্ড গুলি, তিনটি গুলির খোসা, একাধিক স্মার্টফোন, মেটাল ডিটেক্টর, ড্রোন ও ড্রোন সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামসহ বিভিন্ন বই ও লিফলেট উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রেপ্তারকৃতরা নিষিদ্ধ সংগঠন ‘আকসা’র সক্রিয় সদস্য। তারা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও গুপ্ত হামলার পরিকল্পনায় জড়িত ছিল। এ উদ্দেশ্যে তারা অস্ত্র, গুলি, ড্রোন ও অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহ করে সংঘবদ্ধ হচ্ছিল।

গ্রেপ্ততারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad