৫৪ বছর পর আবার ৪ নভোচারীর চন্দ্রযাত্রা

৫৪ বছর পর আবার ৪ নভোচারীর চন্দ্রযাত্রা
Advertisement
Advertisement

নাসার আর্টেমিস–২ মিশনে করে চাঁদের পথে যাত্রা করেছেন চার নভোচারী। বুধবার ফ্লোরিডা থেকে যখন এই মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করা হয় তখন তার ভেতরে ছিলেন ৪ জন ক্রু। এর মধ্য দিয়ে ৫৪ বছর পর আবারও চাঁদের উদ্দেশে নভোচারী পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র।

ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরালে নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে সূর্যাস্তের ঠিক আগে স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (এসএলএস) রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়। তার মাথায় ছিল ক্যাপসুল ‘ওরিয়ন ক্রু’। উৎক্ষেপণ দেখতে ভিড় করেন লাখ লাখ মানুষ। ৩২ তলা সমান উচ্চতার এই রকেটে তিনজন মার্কিন নভোচারী ও এক কানাডীয় নভোচারীকে নিয়ে মহাকাশযানটি পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, নাসার নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কচ এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির নভোচারী জেরেমি হ্যানসেন প্রায় ১০ দিনের অভিযানে চাঁদের চারপাশ ঘুরে তারপর পৃথিবীতে ফিরবেন। এই যাত্রায় মহাকাশযানটির সক্ষমতা পরীক্ষা করা হবে। চেষ্টা থাকবে মানবজাতি এর আগে মহাকাশে যত দূরে গিয়েছে, তার চেয়েও বেশি দূরে যাত্রা করা।

নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান বলেন, এই উৎক্ষেপণ ভবিষ্যৎ মিশনের সূচনা, যার মধ্যে চাঁদে একটি ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। চাঁদের পৃষ্ঠে ‘স্থায়ী উপস্থিতি’ গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন

সবশেষ ১৯৭২ সালে অ্যাপোলো মিশনের সময় চাঁদে পা রেখেছিল মানুষ—এ পর্যন্ত এই কৃতিত্ব রয়েছে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের।

প্রায় তিন বছরের প্রশিক্ষণ শেষে এই দলটি আর্টেমিস কর্মসূচির প্রথম নভোচারী হিসেবে যাত্রা শুরু করল। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া বহু বিলিয়ন ডলারের এই কর্মসূচির লক্ষ্য আগামী দশ বছর ও তার পরবর্তী সময়ে চাঁদে দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে অভিযানের পথ তৈরি করা।

এবারের মিশনকে চাঁদে মানুষ অবতরণের আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ মহড়া হিসেবে দেখা হচ্ছে। আরেকটি মানববাহী চন্দ্রাভিযানের পর নাসা ২০২৮ সালে আর্টেমিস–৪ মিশনে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে নভোচারী নামানোর লক্ষ্য রয়েছে। একই অঞ্চলে ২০৩০ সালের মধ্যে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে চীন।

সূত্র: রয়টার্স

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad