বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ঈদুল আজহা শেষে কোরবানির পশুর বর্জ্য সরাতে বড় ধরনের অভিযান শুরু করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে ৪১টি ওয়ার্ড জুড়ে এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়।
বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহনের জন্য ৪১টি ডাম্প ট্রাক, পে-লোডার এবং ভ্যানসহ মোট ৩৭৯টি যানবাহন মাঠে নামানো হয়েছে। কাজের সুবিধার্থে শহরকে উত্তর ও দক্ষিণ–এই দুটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। উত্তর অংশের ২২টি ওয়ার্ডের বর্জ্য আরেফিন নগর ল্যান্ডফিলে এবং পতেঙ্গা-বন্দর এলাকার ১৯টি ওয়ার্ডের বর্জ্য হালিশহর ল্যান্ডফিলে ফেলা হচ্ছে।
চসিকের উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বর্জ্য অপসারণের কাজ শেষ করতে পারব।’
কাজীর দেউড়ি বিমান অফিসের সামনের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানের মাধ্যমে মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে পুরো শহর পরিষ্কার করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে চসিক। ঈদের নামাজ শেষে চসিক মেয়র শাহাদাত হোসেন বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এই কার্যক্রম সশরীরে তদারকি করেন।
শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা রাস্তা ও গলি থেকে পশুর উচ্ছিষ্টাংশ সরাচ্ছেন। অনেক জায়গায় সাধারণ মানুষও নিজ উদ্যোগে রক্তে ভেজা রাস্তা পানি দিয়ে ধুয়ে ব্লিচিং পাউডার ছিটাচ্ছেন। চসিকের পক্ষ থেকে স্যানিটেশনের জন্য পর্যাপ্ত ব্লিচিং পাউডার সরবরাহ করা হয়েছে।
শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে নগরবাসীর সহযোগিতা চেয়ে মেয়র বলেন, ‘কোরবানির বর্জ্য পড়ে থাকলে রোগবালাই ও জীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে।’
তিনি নগরবাসীকে চসিকের দেওয়া পলিথিন ব্যাগে বর্জ্য ভরে নির্দিষ্ট সংগ্রহস্থলে রাখার আহ্বান জানান।


