তিন থেকে চারদিনের মধ্যেই শপথ নেবেন নতুন মন্ত্রীরা। সংবিধান অনুযায়ী তাদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।
শনিবার সচিবালয়ে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ।
নতুন মন্ত্রীদের বরণ করে নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তুতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শপথ যখনই হোক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তুতি আছে। সংসদ সদস্যদের শপথ হয়ে গেলেই জানতে পারব, মন্ত্রিসভার সদস্যদের কখন হবে। আশা করছি, ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অর্থাৎ রোজার আগেই মন্ত্রিসভার শপথ হবে।’
মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হবে বলেও জানান শেখ আব্দুর রশিদ।
তিনি আরও বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অপেক্ষাকৃত শান্তিপূর্ণভাবে, বড় ধরনের বিপত্তি ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়েছে। এজন্য সরকার খুবই আনন্দিত।’
নির্বাচনের ফলের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আইন অনুযায়ী, তিনদিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের শপথ হয়। আগামীকাল থেকে শুরু করে ১৭ তারিখের মধ্যে সংসদ সদস্যদের শপথ হবে। এরপর নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন। যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্যদের নেতা হিসেবে নির্বাচিত হবেন, তিনি রাষ্ট্রপতিকে জানাবেন সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন হওয়ার বিষয়টি।’
‘তখন রাষ্ট্রপতি তাকে নিয়ম অনুযায়ী তাকে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য নিয়োগ দেবেন। এরপর সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান হবে।’
মন্ত্রিপরিষ সচিব জানান, সংসদ সদস্যদের শপথের বিষয়টি সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্ব। সংসদ সদস্যদের শপথের ক্ষেত্রে নানা রকম উপায় আছে।
তিনি বলেন, ‘স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার কিংবা তাদের মনোনীত কেউ শপথ পড়াতে পারেন। স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার যদি কাউকে মনোনয়ন না দিতে পারেন, তখন সরকার থেকে কাউকে মনোনয়নের ব্যবস্থা করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনারও শপথ পাঠ করাতে পারেন। তবে কে শপথ পড়াবেন সেটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলতে পারবে না।’


