সৌদি আরবে ওমরাহ হজ শেষে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত লক্ষ্মীপুরের সেই শিশু ফাইজা আক্তার (১০) বাড়ি ফিরেছে।
ফাইজা রামগঞ্জ ভাটরা ইউনিয়নের টিউরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
সোমবার ভোরে শিশুটি তার মামা তানভীর হোসেনের সঙ্গে রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের নলচরা গ্রামের বাড়িতে ফেরে। তার আগের দিন বিকাল ৩ টার দিকে ফাইজাকে নিয়ে তানভীর হোসেন দেশের উদ্দেশে রওনা দেন।
তিনি জানান, ফাইজা এখনো জানে না দুর্ঘটনায় তার বাবা-মা ও দুইবোন মারা গেছে। সে জানে তার বাবা-মা হাসপাতালে তার মতো চিকিৎসাধীন রয়েছে। তারা সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরবে। সবার সঙ্গে সে ঈদ করবে। নিহতদের মরদেহ এখনো জেদ্দা হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ওমরাহ শেষে বাংলাদেশ সময় রাত ৩ টার দিকে জেদ্দা থেকে সৌদির বাসায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার সুমি (৩০), মেয়ে মেহের আফরোজ (১৩) ও দেড় বছর বয়সী মেয়ে সুবহা আক্তার নিহত হন। দুর্ঘটনায় গাড়ির ড্রাইভার মো. জিলানী বাবরও (৩০) মারা যান। নিহত মিজানুর রহমানের মেজো মেয়ে ফাইজা একই দুর্ঘটনায় আহত হয়ে জেদ্দা শহরের কিংস ফয়সাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।
মিজানুর রহমান মিজান (৪০) সৌদি প্রবাসী ছিলেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি তার স্ত্রী ও তিন মেয়েকে নিয়ে ওমরাহ হজে যান।


