আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) এ নয়, সেনা আইনে বিচার চায় বাহিনীর অবসরপ্রাপ্তদের সংগঠন ‘এক্স ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন’। সেনা আইনে ‘গুমের বিচারের বিধান’ না থাকায় আইন সংশোধনের দাবি জানান তারা।
মঙ্গলবার সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সংগঠনের নেতারা।
অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত লেফটেনেন্ট সাইফুল্লাহ খান সাইফ লিখিত বক্তব্য বলেন, ‘দেশে-বিদেশে বিভিন্ন মহল অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঘোলাটে করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। তারা নানান গুজব ছড়াচ্ছে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে গুজবে কান দেওয়া চলবে না।’
এ সময় অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার রোকনউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
গত আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিভিন্ন জনকে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় দুই মামলার অভিযোগ আমলে নিয়ে ৮ অক্টোবর ৩০ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আইসিটি। এদের মধ্যে ২৫ জন ছিলেন সেনা কর্মকর্তা। তার মধ্যে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে ‘হেফাজতে’ নেওয়ার কথা জানায় সেনা সদর।
শনিবার ঢাকা সেনানিবাসের মেস আলফাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান জানান, ৩টি মামলায় ২৫ সেনা কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে অবসরে আছেন ৯ জন, এলপিআরএ একজন, আর বর্তমানে কর্মরত আছেন ১৫ জন।
এরই মধ্যে হেফাজতে নেওয়া ওই ১৫ সেনা কর্মকর্তার জন্য ঢাকা সেনা নিবাসে একটি ভবনকে অস্থায়ী কারাগার ঘোষণা করা হয়েছে।
এমন আবহে ‘এক্স ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন’ ওই সংবাদ সম্মেলনে তাদের বক্তব্য তুলে ধরে।
সাইফ আরো বলেন, ‘সেনাবাহিনী এবং আইসিটির সমন্বয়ে একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচারের উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারে। যাতে ভবিষ্যতে কারো মায়ের বুক খালি হবে না, কোনো স্ত্রী বিধবা হবে না, কোনো সন্তানকে বাবা হারা করবে না।’


