সুন্দরবনে দস্যুতা দমনে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে গত এক বছরে বিভিন্ন বাহিনীর ৪০ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।
রোববার বিকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এই তথ্য জানান।
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
গত এক বছরে করিম শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ, দুলাভাই ও আসাবুর বাহিনীসহ বিভিন্ন দস্যু দলের সদস্যদের আটক করা হয়।
অভিযানে গত এক বছরে ৪৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড তাজা গোলা, ১৮৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২৯৯ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ এবং দুটি হাতবোমাসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ছাড়া, দস্যু বাহিনীর বেশ কিছু আস্তানা শনাক্ত করে সেগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
একই সময়ে দস্যুদের কবলে থাকা ৩৭ জন জেলে, দুইজন পর্যটক এবং একজন রিসোর্ট মালিককে উদ্ধার করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দস্যুতা রোধে সুন্দরবনের ভেতরে ও আশপাশের নদী-খালে কোস্ট গার্ডের নজরদারি আগের চেয়ে বাড়ানো হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, সুন্দরবনকে পুরোপুরি দস্যুমুক্ত করতে কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবের সমন্বয়ে রোববারও যৌথ টহল পরিচালনা করা হয়েছে।
বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বল জানান তিনি।


