সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে খাসিয়াদের গুলিতে সাদ্দাম হোসেন (৩৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার।
এ ঘটনায় শনিবার কোম্পানীগঞ্জ থানায় নিহতের স্ত্রী তসলিমা বেগম একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও তার মরদেহ ভারতের সীমানায় পড়ে রয়েছে।
নিহত সাদ্দাম হোসেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের লামাগ্রামের বাসিন্দা কুটু মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার দুপুর ১২টার দিকে সাদ্দাম হোসেনসহ চারজন সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে রাজনটিলা এলাকায় সুপারি আনতে যান। তার সঙ্গে ছিলেন একই গ্রামের লিলু মিয়ার ছেলে ফরহাদ, আবু বক্কর (৩০) ও জফির মিয়া (২৮)।
এ সময় সুপারি বাগানের মালিক খাসিয়ারা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই সাদ্দাম হোসেন নিহত হন এবং তার সঙ্গী ফরহাদ মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। পরে সাদ্দামের অন্য সঙ্গীরা আহত ফরহাদকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সাদ্দামসহ কয়েকজন সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে গেলে খাসিয়ারা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে সাদ্দাম গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার মরদেহ এখনও হস্তান্তর করা হয়নি।
এ বিষয়ে সিলেট বিজিবি-৪৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর বিজিবি ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।


