সিডনি উৎসবে আমন্ত্রিত ‘মাস্টার’

সিডনি উৎসবে আমন্ত্রিত ‘মাস্টার’
Advertisement
Advertisement

রটারডাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মর্যাদাপূর্ণ ‘বিগ স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড’ জয়ের পর এবার অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহ্যবাহী সিডনি চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রিত হয়েছে নির্মাতা রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিতের রাজনৈতিক থ্রিলার ‘মাস্টার’। উৎসবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ‘ফিচার্স’ বিভাগে ছবিটির অস্ট্রেলিয়ান প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হবে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নির্মাতা জানান, এবারের সিডনি চলচ্চিত্রে উৎসবের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে প্রদর্শিত হবে বিশ্বখ্যাত নির্মাতা আসগর ফারহাদি, আন্দ্রে জভিয়াগিনৎসেভ এবং ক্রিস্টিয়ান মুঞ্জিউর–এর কান-ফেরত চলচ্চিত্র। অন্যদিকে ‘ফিচার্স’ বিভাগটি সাজানো হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎসবে আলোচিত ও শৈল্পিকভাবে প্রশংসিত চলচ্চিত্র নিয়ে। সেই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের ‘মাস্টার’।

একই বিভাগে প্রদর্শিত হবে পরিচালক রাফায়েল ম্যানুয়েলের বহুল আলোচিত ‘ফিলিপিনানা’। এর আগে এই উৎসবে বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রিত হয়েছিল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের ‘রেহানা মরিয়াম নূর’ (২০২১) এবং কামার আহমাদ সাইমনের ‘অন্যদিন’ (২০২২)।

‘মাস্টার’ নিয়ে সিডনি চলচ্চিত্র উস্তবের প্রোগ্রাম টিম তাদের অফিসিয়াল রিভিউতে জানিয়েছে, ‘রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিতের দ্বিতীয় এই চলচ্চিত্র আত্মবিশ্বাসী নির্মাণশৈলীতে আলাদা করে নজর কাড়ে। ছবিটির উজ্জ্বল কালার প্যালেট গল্পের অন্ধকার বাস্তবতাকে আরও তীব্রভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। পাশাপাশি নাসির উদ্দিন খান এবং আজমেরী হক বাঁধনের অভিনয় সিনেমাটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।’

আরও পড়ুন

১২৬ মিনিট দৈর্ঘ্যের ‘মাস্টার’ রাজনীতি, শ্রেণি-সংঘাত ও মানবিক সংকটের গল্প। ছবির কেন্দ্রে আছেন জহির নামের এক আদর্শবাদী শিক্ষক, যার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নাসির উদ্দিন খান। পরিস্থিতির চাপে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর ক্ষমতা, বিবেক এবং দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থার মধ্যে তার মানসিক ও নৈতিক পরিবর্তনের গল্পই উঠে এসেছে চলচ্চিত্রটিতে।

ছবিটির সম্পাদনা করেছেন অস্কার মনোনয়নপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের সম্পাদক ও একাডেমি সদস্য ক্রিস্টান স্প্রাগ। সংগীত পরিচালনায় ছিলেন লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক তাইওয়ানিজ কম্পোজার হাও টিং শি। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল ও বুসানের স্টুডিওতে সম্পন্ন হয়েছে ছবিটির কালার গ্রেডিং ও সাউন্ড মিক্সিং। ‘স্নোপিয়ার্সার’-এর সম্পাদক স্টিভ এম. চো এবং ‘বার্নিং’-এর শব্দ ডিজাইনার হান ম’হুয়ানেরতত্ত্বাবধানে কাজ করেছেন বাংলাদেশের শব্দ সম্পাদক শৈব তালুকদার ও পরিচালক সুমিত।

ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন আজমেরী হক বাঁধন, জাকিয়া বারী মম, ফজলুর রহমান বাবু, শরীফ সিরাজ, তাসনোভা তামান্না, আমিনুর রহমান মুকুল ও মাহমুদ আলম। বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় চলচ্চিত্র অনুদানে নির্মিত ছবিটি প্রযোজনা করেছে মাইপিক্সেলস্টোরি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad