রাজধানী ঢাকার সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় হওয়া মামলার প্রধান অভিযুক্ত মইন উদ্দিনসহ মোট সাতজনকে আটক করেছে র্যাব। নড়াইলের কালিয়া থানা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৬।
এ ছাড়া শনাক্ত হওয়া অন্য আসামি মো. ফালান মিয়া (৪২), মো. রুবেল (৪২), মো. স্বপন কাজী (৩৬) ও মো: শাওন হোসেন (২৫) কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৪। মামলার তদন্তে সম্পৃক্ততা পাওয়ায় শেরে বাংলা নগরে র্যাব-২ এর অভিযানে গ্রেপ্তার হন সুমন ও মইন উদ্দিনের সহযোগী লিটন।
সোমবার সকালে বাহিনীর পক্ষ থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত মইন ঢাকার শ্যামলী এলাকার যুবদল নেতা।
এক বিবৃতিতে র্যাব জানায়, চাঁদাবাজির ঘটনার খবর পাওয়া মাত্র রাত দেড়টার দিকে র্যাব-২ এর একটি দল সিকেডি হাসপাতালে যায় এবং প্রতিষ্ঠাতা ডা. কামরুল ইসলামের সাক্ষাৎকার নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তারা অভিযুক্ত মইন উদ্দিনের ফোন নাম্বার সংগ্রহ করেন।
পরে র্যাব এর বিভিন্ন ব্যাটেলিয়ান সম্মিলিতভাবে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালায়।
এদিকে মামলার নথিতে বলা হয়, কিডনি চিকিৎসক কামরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত সিকেডি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের ইনচার্জ আবু হানিফের কাছে অভিযুক্তরা বেশ কিছুদিন ধরেই চাঁদা দাবি করে আসছেন।
তারই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে মঈনসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন শ্যামলীতে আবু হানিফের বাসায় গিয়ে উপস্থিত হন এবং চাঁদা না পেলে তার পরিবারের ক্ষতি করার হুমকি দেন।
বিষয়টি জানাজানি হলে একপর্যায়ে তারা অর্ধশতাধিক লোক নিয়ে সিকেডি হাসপাতালের সামনে বিশৃঙ্খলা ও হট্টগোল শুরু করেন। এ সময় আবু হানিফ শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পরে হাসপাতলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে যুবদল নেতা মইনকে শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় গত শনিবার মঈন উদ্দিনকে আসামি করে শেরে বাংলা নগর থানায় মামলা করেন আবু হানিফ।


