আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পাস হলে তামাকের ব্যবহার, তামাক ব্যবহারজনিত অসুস্থতা ও মৃ্ত্যু বাড়বে বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা)। একই সঙ্গে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির সুযোগ হাতছাড়া হবে বলেও মনে করে সংগঠন দুটি।
বৃহস্পতিবার এক প্রতিক্রিয়ায় প্রজ্ঞা ও আত্মা জানায়, প্রস্তাবিত বাজেটে বিড়ি, গুল ও জর্দার দাম ও করহার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়েছে খুবই সামান্য। মুল্যস্ফীতি এবং মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি হিসাবে আনলে এসব তামাকপণ্যের প্রকৃত দাম কমে যাবে। এর ফলে তরুণ ও নিম্ন আয়ের জনগণের মধ্যে কমদামি সিগারেটের ব্যবহার আশঙ্কাজনকহারে বাড়বে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে সিগারেট বাজারের প্রায় ৭৫ শতাংশই নিম্ন স্তরের দখলে এবং যার প্রধান ভোক্তা মূলত দরিদ্র ও তরুণ জনগোষ্ঠী।
প্রজ্ঞা ও আত্মা’র মতে, সিগারেটের নিম্ন ও মধ্যম স্তরকে একত্রিত করে প্রতি ১০ শলাকার খুচরা মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণ, সুনির্দিষ্ট কর পদ্ধতি প্রবর্তন এবং সব ধরনের তামাকপণ্যের দাম বাড়ানো হলে চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আয়ের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে প্রায় চার লক্ষ অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত বাজেটে তামাকবিরোধীদের সংস্কার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও রাজস্ব বৃদ্ধির সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে প্রজ্ঞা ও আত্মা।


