ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত নিরসনে একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব পর্যালোচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার জাতীয় নিরাপত্তা দল।
এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া, যদিও এর বিনিময়ে পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত আলোচনা অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, তেহরানের কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সেন্ট পিটার্সবার্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।
এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ এক বিস্ফোরক মন্তব্যে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কার্যত ‘অপদস্থ’ হচ্ছে।
মের্জের মতে, এই সংকটে তেহরান সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে এবং ওয়াশিংটনের সামনে সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার কোনো স্পষ্ট পথ নেই।
এদিকে, লেবাননের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম বৈরুত সরকারকে ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলে পুনরায় হামলা শুরু করার মাধ্যমে ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’ করার অভিযোগ তুলেছেন।
সূত্র: আল-জাজিরা


