বাংলাদেশ এখন সংকটময় মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে। এই অবস্থায় দেশ কোনদিকে যাবে, সেটা নির্ভর করছে আগামী নির্বাচনের ওপর। সোমবার জাতীয় নির্বাচনে আনসার-ভিডিপির ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা মহড়া ও আনসার সদস্যদের সমাপনী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
সিইসি জানান, এবার ১০ লাখ মানুষ নির্বাচনী কার্যক্রমে যুক্ত থাকবেন। এরই মধ্যে যারা জেলে এবং প্রবাসে আছেন এবার তাদের জন্যও অ্যাপে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা ছাড়া কখনও একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব নয়।
‘নির্বাচনে বিশাল ভূমিকায় থাকবে আনসার সদস্যদের। সংখ্যার দিক দিয়ে এটিই সবচেয়ে বড় বাহিনী। এবার গতানুগতিক ধারায় কাজ করলে হবে না। এর বাইরে গিয়ে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেকোনো অপপ্রচারের বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে’ বলে জানান সিইসি।
অনুষ্ঠানে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে আনসার বাহিনীর প্রায় পাঁচ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হবে। গত এক বছরে বাহিনীতে এক লাখ ৪৫ হজার নতুন আনসার সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের মৌলিক প্রশিক্ষণ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। আনসার বাহিনী ইসিকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে। শুধু নির্বাচনী কার্যক্রমে নয়, নির্বাচনের প্রচারণামূলক কাজেও সহযোগিতা করা হবে। ভোটারদের করণীয় নিয়েও প্রচারণা চালাবেন আনসার সদস্যরা। তবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তাদের বাছাই করে বাদ দেওয়া হবে। তাদেরকে নির্বাচনী দায়িত্ব দেওয়া হবে না। অতীতের যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে আনসার বাহিনী এবার জোরালো ভূমিকা পালন করবে বলেও জানান মেজর জেনারেল।


