কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এক কিশোরীকে অপহরণের দুই দিন পর উদ্ধার করেছে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া কিশোরীর নাম পারভীন (১৫)। তিনি লেদা ক্যাম্পের এ-এলএমএস ব্লকের বাসিন্দা। তার বাবার নাম সামশু আলম।
এপিবিএন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে পারভীনকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী নামারপাড়া এলাকার বাসিন্দা সাকিবুল হাসান (২০) অপহরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
অপহরণের খবর পাওয়ার পর ক্যাম্প ইনচার্জ শাহরিয়ার বিন মান্নানের তত্ত্বাবধানে লেদা এপিবিএন ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক শাহীন হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা অভিযান শুরু করেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে টেকনাফের পশ্চিম হ্নীলা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত সাকিবুল হাসান কিশোরীকে ঘটনাস্থলে রেখে পালিয়ে যান। পরে এপিবিএন সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেন।
১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. কাউছার সিকদার বলেন, ‘অপহরণের খবর পাওয়ার পরপরই আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কিশোরীকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অপহরণের দুই দিন পর তাকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘উদ্ধারের পর কিশোরীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষার জন্য স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতের নির্দেশে তাকে তার বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।’
এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপহরণ মামলা রুজু করা হয়েছে। পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


