কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে আরসা সন্ত্রাসীদের ছোঁড়া গুলিতে হালিম গ্রুপের প্রধান আবদুল হালিম (৪৫) নিহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জি ব্লক সংলগ্ন তরজার ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আবদুল হালিম ৭ নম্বর ক্যাম্পের এফ-৬ ব্লকের বাসিন্দা এবং বাদশা মিয়ার ছেলে। তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘হালিম বাহিনী’ও এআরও গ্রুপের নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।
আহতরা হলেন একই ক্যাম্পের এফ-৫ ব্লকের মোহাম্মদ উল্লাহ (৩৫) ও মোহাম্মদ নুর (৩৪)। তাদের প্রথমে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ও পরে সেখান থেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যায় বাজার থেকে মোটরসাইকেলযোগে নিজ শেডে ফেরার পথে আবদুল হালিম ও তার সহযোগীরা হামলার মুখে পড়েন। তারা তরজার ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। এতে হালিমসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে এবং পরে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টার দিকে আবদুল হালিম মারা যান।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ১৪ এপিবিএন-এর অধিনায়ক মোহাম্মদ সিরাজ আমিন জানান, ঘটনার পরপরই এপিবিএন-এর কয়েকটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে এবং ক্যাম্পজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।


