যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ সম্পর্কের সবচেয়ে দৃশ্যমান ও ব্যক্তিগত রূপ সিলেটে দেখা যায় বলে মনে করেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। তিনি বলেন, ‘সিলেটি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিকরা দুই দেশের মধ্যে এক শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করেছেন, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করেছে।’
বুধবার সন্ধ্যায় সিলেটের বিমানবন্দর এলাকার একটি অভিজাত হোটেলে যুক্তরাজ্য হাইকমিশন আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
সারাহ কুকের ভাষায়, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশে অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগকারী দেশ। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে এই অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার আগ্রহও জানান তিনি।
হাইকমিশনার বলেন, ‘প্রজন্মের পর প্রজন্ম সিলেটি কমিউনিটি আধুনিক ব্রিটেন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য, সংস্কৃতি, জনসেবা ও সামাজিক জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের অবদান যুক্তরাজ্য গভীরভাবে মূল্যায়ন করে।’
উপস্থিত সবাইকে রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়ে সারাহ কুক বলেন, ‘পবিত্র এই মাস আমাদের সহমর্মিতা, সংহতি ও অভিন্ন মানবতার শিক্ষা দেয়।’ দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে বলেও আশা করেন তিনি।
ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজনেরা।


