মূলধনি মুনাফায় ২০৩০ পর্যন্ত পূর্ণ কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ

মূলধনি মুনাফায় ২০৩০ পর্যন্ত পূর্ণ কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ
Advertisement
Advertisement

দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার, বাজারের তারল্য বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্জিত মূলধনি মুনাফার ওপর পূর্ণ কর অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছে পুঁজিবাজারের স্টক ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।

গত বুধবার ডিবিএর পক্ষ থেকে অর্থমন্ত্রী জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনি, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান জনাব মাসুদ খান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান জনাব আহসান হাবিবের কাছে এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা পেশ করা হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বর্তমানে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের মূলধনি মুনাফার ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত কর অব্যাহতি রয়েছে এবং অতিরিক্ত মুনাফার ওপর সাধারণভাবে ১৫ শতাংশ কর প্রযোজ্য। ডিবিএ ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের জন্য পূর্ণ কর অব্যাহতি পুনর্বহাল এবং বিদেশি ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে করব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব দিয়েছে।

সংগঠনটির মতে, এ উদ্যোগ লেনদেন বৃদ্ধি, মুনাফার পুনর্বিনিয়োগ, দেশীয় সঞ্চয়ের উৎপাদনশীল ব্যবহার এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির ইকুইটি অর্থায়নে সহায়ক হবে।

আরও পড়ুন

প্রস্তাব অনুযায়ী, আয়কর আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধন করে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সম্পন্ন এবং নির্ধারিত কেন্দ্রীয় ডিপোজিটরি ব্যবস্থায় নিষ্পত্তিকৃত যোগ্য লেনদেনের মূলধনি মুনাফা করমুক্ত করা যেতে পারে। তবে স্পনসর, পরিচালক এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর উপর বিদ্যমান করব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে ডিবিএ একমত পোষন করেছে।

উল্লেখ্য, সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিসিবিএল) পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম শুরু করলে মূলধনি মুনাফা নিরূপণ ও কর হিসাবের প্রক্রিয়া সহজতর হবে বলে মনে করে ডিবিএ। এই বিবেচনায়, ডিবিএ সিসিবিএল-এর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হওয়া তথা ২০৩০ সাল পর্যন্ত মূলধনি মুনাফার ওপর কর অব্যাহতি চেয়েছে।

ডিবিএর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগবান্ধব করব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে পুঁজিবাজারে আস্থা, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির অর্থায়নের সুযোগ বাড়বে। একই সঙ্গে এটি পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও সহায়ক হবে।

ডিবিএ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রস্তাবটি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad