সিরাজগঞ্জে ৫ মাদ্রাসা, লালমনিরহাটে ৬ কলেজের কেউ পাস করেনি

সিরাজগঞ্জে ৫ মাদ্রাসা, লালমনিরহাটে ৬ কলেজের কেউ পাস করেনি
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় সিরাজগঞ্জ ও লালমনিরহাটের ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জের পাঁচটি মাদ্রাসা এবং লালমনিরহাটের ছয়টি কলেজ রয়েছে।

রাজশাহী ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সিরাজগঞ্জের পাঁচটি মাদ্রাসায় ৭২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। অন্যদিকে লালমনিরহাটের ছয়টি প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরাও কেউ পাস করতে পারেননি।

সিরাজগঞ্জের শূন্য পাসের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রায়গঞ্জ উপজেলার তেলিজানা আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৫ জন, উল্লাপাড়া উপজেলার চন্দ্রগতি আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৪ জন, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শ্যামপুর কাজী ইসমাইল হোসেন আলিম মাদ্রাসা থেকে ৮ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। এ ছাড়া রায়গঞ্জ উপজেলার আমশড়া ইসলামিয়া দারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২১ জন এবং তাড়াশ উপজেলার ডবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এসব প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি।

এ বছর সিরাজগঞ্জে ২২ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৮ হাজার ৫৮৫ জন। পাসের হার ৩৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩০১ জন।

অন্যদিকে লালমনিরহাটের শূন্য পাসের ছয়টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কালীগঞ্জে তিনটি, হাতীবান্ধায় দুটি এবং আদিতমারীতে একটি।

আরও পড়ুন

হাতীবান্ধা মডেল কলেজের ১১ জন, আমিনুর রহমান কলেজের একজন, কালীগঞ্জের সোনারহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুজন, দুহুলী এসসি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন, দক্ষিণ ঘনশ্যাম স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন এবং আদিতমারীর গন্ধমরুয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুজন পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের কেউ উত্তীর্ণ হতে পারেননি।

লালমনিরহাটে এবার ৭ হাজার ৪৫৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। পাস করেছেন ৩ হাজার ৪৮২ জন। জেলায় পাসের হার ৪৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। ছাত্রদের পাসের হার ৪০ দশমিক ৮৭ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৫১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১০২ জন। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের আট জেলার মধ্যে পাসের হারে লালমনিরহাট তৃতীয়।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন আট জেলার ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী এবার পাস করেননি। এর মধ্যে লালমনিরহাটের ছয়টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, নিয়মিত পাঠদানের ঘাটতি ও চরাঞ্চলসহ দুর্গম এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকসংকট ফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad