রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগকে পাথর মেরে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা সারা দেশে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক সহিংসতার বিরুদ্ধে শ্লোগানে মুখর হয়ে ওঠেন।
শুক্রবার রাত ৯টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকশ শিক্ষার্থী শহিদ মিনার থেকে মিছিল শুরু করে রায় সাহেব বাজার, তাঁতিবাজার, নয়াবাজার হয়ে মিটফোর্ড ঘুরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হন।
মিছিলে শিক্ষার্থীদের মুখে শোনা যায়- ‘অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘যুবদলের অনেক গুণ, পাথর মেরে মানুষ খুন’, ‘আমার ভাই খুন কেন, তারেক রহমান জবাব দে’, ‘চাঁদা তোলে পল্টনে, যায় লন্ডনে’- এমন সব স্লোগান।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মাসুদ রানা। তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর আমরা চেয়েছিলাম সাম্যের একটি বাংলাদেশ, চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ। কিন্তু নতুন সরকার গঠনের পরই বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলো চাঁদাবাজি শুরু করেছে। প্রয়োজনে আবারও জুলাই অভ্যুত্থান ঘটবে।’
জাবি ক্যাম্পাসেও একই সময়ে বটতলা এলাকা থেকে ‘‘সন্ত্রাসবিরোধী ঐক্য’’ ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘৫ আগস্টের আগে যেভাবে আওয়ামী লীগ বর্বরতা চালিয়েছিল, এখন সেই একই পথেই হাঁটছে বিএনপি। তারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে জালিমে পরিণত হয়েছে।’
গণঅভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, ‘বিএনপি এখনো ক্ষমতায় আসেনি, অথচ আগেই রাবণের রূপ নিয়েছে। খুন, চাঁদাবাজি, ধর্ষণের দায় কি তারেক রহমানের ওপর পড়বে না?’


