গাজীপুরের টঙ্গীতে কেমিক্যাল গুদামে আগুনে নেভাতে গিয়ে দগ্ধ ফায়ার কর্মী শামীম আহমেদ মারা গেছেন। মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবির পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, শামীম আহমেদের দেহ ১০০ ভাগ পুড়ে গিয়েছিল।
নিহতের বড় ভাই রুহুল আমিন জানান, আনুমানিক ২০ বছর ধরে শামীম ফায়ার সার্ভিসে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তিনি ‘লিডার’ পদে পদন্নোতিও পান। শামীম স্ত্রী মনি আক্তার ও ৩ সন্তান নিয়ে টঙ্গীতে থাকতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পিজাহাতী গ্রামে।
গত সোমবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে টঙ্গীর সাহারা মার্কেটের পাশে একটি কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন লাগে। ওই আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছানর পর হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। এতে গিয়ে টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের চারজন ফায়ার কর্মী ও কারখানার একজন কর্মচারী দগ্ধ হন।
গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজন ফায়ার কর্মীকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এবং কারখানা কর্মী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. নাসির উদ্দিন জানান, আহত ফায়ার সার্ভিস কর্মী টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর খন্দকার জান্নাতুল নাঈম ৪২ শতাংশ, ফায়ার ফাইটার শামীম আহমেদ ১০০ শতাংশ, ফায়ার ফাইটার মোঃ নূরুল হুদা ১০০ শতাংশ ও ফায়ার ফাইটার মোঃ জয় হাসান ৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে ভর্তি হন। এবং গোডাউনের কর্মচারী আল আমিন বাবু ৯৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


