ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটে মারধরের শিকার শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলের মায়ের করা এজাহার শাহবাগ থানা থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে শাহবাগ থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন্স) এবং ভুক্তভোগীর মা পারভীন আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ঠিক কী কারণে এজাহারটি প্রত্যাহার করা হয়েছে, সে বিষয়ে কেউ কোনো তথ্য জানাননি।
গত সোমবার রাতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রাহিদের মা পারভীন আক্তার থানায় এজাহারটি জমা দেন। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থীর নাম অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি ঘটনায় আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছিল।
ভুক্তভোগী রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের ছাত্র।
সোমবার ভোররাতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তাকে মারধর করে শাহবাগ থানার সামনে ফেলে রেখে যাওয়া হয়।
রাহিদ সেসময় দাবি করেছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির কয়েকজন নেতা তাকে মারধর করেছেন।


