মানিকগঞ্জের সদর, সিঙ্গাইর, ঘিওর ও সাটুরিয়া উপজেলার আলাদা আলাদা স্থান থেকে একদিনে নারীসহ পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার তাদের এসব মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, দুপুরে সরকারি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে শহরের পশ্চিম দাশড়া এলাকায় পৌর ভূমি অফিসের পেছনে একটি ভবন থেকে আবু হানিফ (৩৫) নামে একজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আবু হানিফ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আবুল বসরের ছেলে।
তিনি আরও জানান, বিদেশে পাঠানোর প্রলোভনে অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন আবু হানিফ। সেই টাকা ফেরত দিতে না পারায় মানসিক চাপে পড়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
এদিকে, সদর উপজেলার দিঘি ইউনিয়নের মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থাকা একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মৃত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
সিঙ্গাইর উপজেলার দেওলি গ্রাম থেকে রোজিনা আক্তার (২৮) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক কলহের জেরে রোজিনা বিষপান করে ‘আত্মহত্যা’ করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একইদিন ঘিওর উপজেলার দেওভোগ গ্রামে সোনা মিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে এটিও আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া, সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া এলাকায় ছাদ থেকে ড্রাম পড়ায় রাসেল মাহমুদ (৩০) নামে এক শ্রমিক মারা গেছেন।
স্থানীয়রা জানান, কারখানায় কাজ করার সময় ছাদ থেকে ড্রাম পড়ায় গুরুতর আহত হন তিনি। রাতেই তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাসেলকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত রাসেল জামালপুর সদর উপজেলার রহুল্লী গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে।
মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. এবিএম তৌহিদুজ্জামান জানান, উদ্ধার করা সব মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে।


