গলা ও দুই হাতের কব্জি কেটে নিজের স্ত্রীকে হত্যাকারী সাইফুল ইসলাম তারেককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। লাশের পরিচয় গোপন করতেই স্ত্রীর মাথা ও হাতের কব্জি অন্যত্র সরিয়ে ফেলেছিল বলে স্বীকার করেছে সাইফুল।
তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহায়তায় রাজধানী থেকে ঘাতক সাইফুল ইসলাম তারেককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমি উদ্দিন এসব কথা নিশ্চিত করেন।
এর আগে গত ১১ এপ্রিল সন্ধ্যা পৌঁনে ৬টার দিকে কক্সবাজারের ঝিলংজা ইউনিয়নের জানার ঘোনা এলাকার এক পরিত্যক্ত ডোবা থেকে ওই নারীর মাথা ও দুই হাতের কব্জিবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানিয়েছে, ঘাতক সাইফুল তার স্ত্রী শাহিদা আক্তার রিপা ওরফে মুন্নিকে রসমালাইয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অচেতন করে ছুরি দিয়ে হত্যা করে। পরে লাশের পরিচয় গোপন করার কৌশল হিসেবে মৃত স্ত্রীর মাথা ও দুই হাতের কব্জি আলাদা করে ফেলে। হত্যাকাণ্ডের একদিন পর মাথা ও দুই হাতের কব্জিবিহীন মরদেহ পাশের ডোবায় ফেলে দেয়। মরদেহের অবশিষ্ট মাথা ও দুই হাতের কব্জি কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল নতুন ব্রীজ থেকে বাঁকখালী নদীতে ফেলে দেয়। পুলিশের কাছে নিজেই এসব কথা স্বীকার করেছে সাইফুল।
জেলা পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, স্বীকারোক্তির পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও ঘুমের ওষুধ মিশ্রিত রসমালাইয়ের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।
মুন্নির মরদেহের মাথা ও দুই হাতের কব্জি উদ্ধারে শহরের বাঁকখালী নদীতে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।


