যুক্তরাষ্ট্রে নিহত দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) নিহত।
আগামী ৯ মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়টির স্প্রিং সমাবর্তনে তাদের এই সম্মান দেওয়া হবে।
৫ মে মায়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে সম্মাননা গ্রহণের জন্য একজন কনস্যুলার প্রতিনিধিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে ইউএসএফ।
নিহত বৃষ্টির প্রথম জানাজার নামাজ ৬ মে দুপুর ২টায় টাম্পায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তার মরদেহ ৭ মে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হবে এবং ৯ মে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
২৭ বছর বয়সী লিমন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ছিলেন। তিনি ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশ ও নীতিবিষয়ক বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। বৃষ্টি আগে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়ছিলেন।
জামিল লিমন ও নাহিদা সুলতানা নিখোঁজ হন গত ১৬ এপ্রিল। ১৭ এপ্রিল এক পারিবারিক বন্ধু তাদের নিখোঁজের খবর দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। এরপর তদন্তে নামে পুলিশ।
আট দিন নিখোঁজ থাকার পর গত ২৪ এপ্রিল হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় লিমনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে। পরে শুক্রবার ট্যাম্পা বে এলাকার হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড সেতু থেকে জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর দুই দিনের মাথায় ২৬ এপ্রিল ওই সেতুর কাছের একটি জায়গা থেকে আরেকটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শনিবার হিলসবোরো কাউন্টির শেরিফ অফিস থেকে উদ্ধার করা মরদেহটি বৃষ্টির বলে নিশ্চিত করা হয়।
এ হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন পরই সোয়াত টিম সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে তার বাবা-মায়ের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।


