গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে হামলা-সংঘর্ষের পর সেখানে কারফিউ জারি করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ঢাকায় পুলিশ কন্ট্রোল রুমে বসে গোপালগঞ্জের নানা ঘটনা পর্যবেক্ষণ করছেন অর্ন্তবর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা। তারা স্থানীয় প্রশাসনকে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।
বুধবার সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছেন ক্রীড়া ও স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি নিজেই কন্ট্রোল রুমে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ তার ফেরিফায়েড ফেসবুক পোষ্টে লিখেছেন, ‘গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করা হয়েছে। জীবন-মৃত্যুর মতো পরিস্থিতি না হলে সাধারণ জনগণ কেউ ঘর থেকে বের হবেন না।’
‘সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। নিষিদ্ধ সংগঠনের সন্ত্রা*সীদের *** ভেঙে দেয়া হবে।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে সবকিছু মনিটরিং এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানগণ।’
তার ফেসবুক পোষ্টের নীচে অনেকে মন্তব্য করেছেন। গোপালগঞ্জের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন।
এদিকে, গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের পর সেনাবাহিনী ও পুলিশের পাহারায় এনসিপি নেতাকর্মীরা গোপালগঞ্জ ছাড়েন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ কন্ট্রোল রুমে বসে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী গোপালগঞ্জর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তার পাশেই অবস্থান করছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা। ক্যামেরায় সবকিছু মনিটরিং করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন উপদেষ্টা।


