ভোলার মনপুরায় প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া এক তরুণীকে (১৯) দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে ভোলার মনপুরা থানায় একটি মামলা করেছেন।
গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তালতলা এলাকার স্লইজগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর কাছ থেকে জানা যায়, সুনামগঞ্জের ওই তরুণী ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। তার সঙ্গে ভোলার মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকচিয়া এলাকার এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত বুধবার বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিতে ওই তরুণী লঞ্চে মনপুরা উপজেলার সাকুচিয়া উত্তর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে এসে যুবকের দাদির বাড়িতে গিয়ে উঠেন।
পরে বৃহস্পতিবার সকালের দিকে স্থানীয় মাসুদ, আল আমিন, আলমগীর, ইদ্রিস মাঝি ও গিয়াসসহ ৭/৮জন ওই বাড়িতে গিয়ে তাদেরকে ভয়-ভীতি দেখান ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে শালিশের নামে তাদের কাছে প্রথমে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তাদের ভয়ে ওই দিনই কিছুদূরে প্রেমিকের চাচির বাড়িতে দুইজন আশ্রয় নেন এবং সেখানেই তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই রাতেই তাদের খুঁজতে খুঁজতে ওই বাড়িতে আসেন মাসুদ, আল আমিনসহ আরো কয়েকজন।
এসময় তরুণী ও তার প্রেমিকের সঙ্গে কথা বলতে বলতে ঘর থেকে বেরিয়ে বেঁড়িবাধের কাছে নিয়ে এসে প্রেমিককে আটকে রেখে ওই তরুণীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এঘটনাটি কাউকে না জানাতে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায় অভিযুক্তরা।
মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহমুদ আল ফরিদ ভুইয়া বলেন, শুক্রবার সকাল ১০টায় ভুক্তভোগীসহ ২ জনকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী। তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।


