যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
শুক্রবার হোয়াইট হাউসে দুই নেতার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছে বিবিসি। এ সময় রাশিয়ায় আঘাত হানতে সক্ষম এমন শক্তিশালী দূরপাল্লার মিসাইল ‘টমাহক’ সরবরাহের দাবি জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।
সম্প্রতি ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, তিনি ইউক্রেনকে ‘টমাহক’ মিসাইল সরবরাহ করার বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে পারেন। এই মিসাইলগুলো রাশিয়ার বিশাল ভূখণ্ডে পৌঁছানোর সক্ষমতা রাখে, যা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে।
এদিকে, ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেস্কভ বলেছেন, ‘রাশিয়া এই ধরনের পরিস্থিতিকে “বড় মাত্রার উত্তেজনা” হিসেবে দেখবে এবং এর ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপে ‘অভূতপূর্ব অগ্রগতি’ হওয়ার কথা জানানোর একদিন পর জেলেনস্কির সঙ্গে তার ওই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হলো । তিনি জানান, রাশিয়ার সঙ্গে তাদের আরও সহযোগিতা ও আলোচনা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এক্ষেত্রে হোয়াইট হাউসে আগামী মাসে ট্রাম্প এবং পুতিনের মুখোমুখি বৈঠক হতে পারে, যা বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।
এছাড়া সম্প্রতি ট্রাম্প তার প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইউক্রেনের প্রতি আরও শক্তিশালী সমর্থন প্রদানের অঙ্গীকার করেছেন, যা আগামী দিনের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মধ্যে প্রভাব ফেলবে। যদিও এর ফলে রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া কী হবে, তা নিয়ে জল্পনা চলছে, তবে এটিই বোঝা যাচ্ছে যে ইউক্রেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও জটিল রূপ নিচ্ছে।
ট্রাম্প ও জেলেনস্কির ওই সাক্ষাৎ বিশ্ব রাজনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার প্রভাব বিশ্বব্যাপী প্রতিফলিত হতে পারে।


