বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ১১টি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেই সঙ্গে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সোমবার থেকে বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুসারে ঈদের পর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সব কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।
রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো হয়েছে।
‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত’ শিরোনামে জারি করা চিঠিতে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ৯ মার্চ থেকে ঈদুল ফিতরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত দেশের সব পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। এ বিষয়ে সব বিশ্ববিদ্যালয়কে অবহিত করতে ইউজিসিকে অনুরোধ করা হয়েছে।
চিঠিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য ১১টি নির্দেশনা প্রতিপালনের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করা, জানালা–দরজা খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করা এবং বিদ্যমান আলোর অর্ধেক ব্যবহার করা।
এ ছাড়া প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান ও এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার না করা, এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখা, অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখা এবং করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি বিদ্যুৎসাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার, আলোকসজ্জা পরিহার, গাড়ির ব্যবহার সীমিত করা এবং জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এসব নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে হবে।


