দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার পর দলটির মহাসচিব ও মন্ত্রিসভার সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন। বিষয়টি বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দলের স্থায়ী কমিটির বিশেষ বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে আনন্দের সঙ্গে জানানো হচ্ছে যে, দলের ‘সংগ্রামী মহাসচিব’ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মির্জা ফখরুল মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন। একই সঙ্গে বিএনপির মহাসচিব এবং জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকেও তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন।
বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নতুন মহাসচিব কে?
মির্জা ফখরুলের পদত্যাগের পর বিএনপির নতুন মহাসচিব কে হবেন—এ প্রশ্নে রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিষয়টি নির্ধারণের দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর ওপর দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, সাংবিধানিক ও দলীয় প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে পরবর্তীতে নতুন মহাসচিবের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার মধ্য দিয়ে এবার তার রাজনৈতিক ভূমিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের পথ তৈরি হলো।
আরও পড়ুন>>>
রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল


