সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ করেছে হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী এবং বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
গত ১৩ আগস্ট আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ এ রিট করেন। রিটের পক্ষে তিনি শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মামুন চৌধুরী ও আখতার হোসেন মো. আব্দুল ওয়াহাব। মঙ্গলবার আদেশ দেওয়ার দিন ধার্য ছিল।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহা হইলে সংসদে তাহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।’
আইনজীবী জানান, ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন না। তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ব্যাহত হয়।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট। ভোটগ্রহণ হবে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে।
১৯৯১ সালের পর এবারই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী হওয়ার এবার নির্বাচন হচ্ছে। বিএনপির প্রার্থী হচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আর ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হচ্ছেন কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে একাধিক প্রার্থী থাকলে ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোট দেবেন জাতীয় সংসদের ৩৪৯ জন সদস্য। চট্টগ্রাম-৪ আসনটি বর্তমানে শূন্য থাকায় মোট ভোটার ৩৪৯ জন।
গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। এরপর ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণের তারিখ ধার্য করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি।


