প্রাথমিক শিক্ষাকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে যাতে ভবিষ্যতে বিশ্বের অন্যান্য দেশ বাংলাদেশকে অনুকরণ করে। বাংলাদেশকে যেন অন্য কাউকে অনুসরণ করতে না হয়, সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে প্রতিমন্ত্রী সরকারের শিক্ষা ভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা একটি সুনির্দিষ্ট ভিশন নিয়ে এগোচ্ছি। শিক্ষার প্রতিটি স্তরে ক্যারিয়ার ও দক্ষতাভিত্তিক পাঠদান নিশ্চিত করা হবে। এর ফলে আমাদের শিক্ষার্থীদের চাকরির জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে না, বরং দেশ ও বিদেশে তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি থাকবে।’
শিশুদের জন্য আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে ‘লার্নিং উইথ প্লে’ বা খেলার ছলে শিক্ষা পদ্ধতি বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, ৪ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুরা যেন গল্প বলা ও খেলার মাধ্যমে পাঠ গ্রহণ করতে পারে, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া প্রাথমিক স্তরের প্রায় দুই কোটি শিক্ষার্থীকে স্কুলমুখী করতে সরকার বিভিন্ন ধরণের প্রণোদনা দিচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের পুষ্টিকর খাবার পরিবেশন, বিনামূল্যে ইউনিফর্ম, স্কুল ব্যাগ এবং বছরে এক জোড়া করে জুতো দেওয়ার কাজও সরকার ইতোমধ্যে শুরু করেছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।


