বিশ্বকাপের ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে দুর্দান্তভাবে নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে বিশ্বকাপে এটাই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি গোল দেওয়ার রেকর্ড।
ঘরের মাঠের দর্শকদের জোরালো সমর্থনে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকা যুক্তরাষ্ট্র সপ্তম মিনিটেই লিড পেয়ে যায়। প্যারাগুয়ের ডি. বোবাডিল্যার আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় তারা।
১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর মাওরো পচেত্তিনোর শিষ্যরা আক্রমণের ধার আরও বাড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় ৩১ মিনিটে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফোলারিন বালোগান। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বালোগান নিজের দ্বিতীয় গোলটি করলে ৩-০ ব্যবধানের বিশাল লিড নিয়ে বিরতিতে যায় স্বাগতিকেরা।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রাখে যুক্তরাষ্ট্র। তবে তিন গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় প্যারাগুয়ে। ৭৩ মিনিটে মাউরিসিও ম্যাগালিয়াসের গোলে ব্যবধান কমিয়ে ৩-১ করে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। ম্যাচের শেষদিকে গোল ব্যবধান আরও বাড়ানোর জন্য বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্র, যার মধ্যে ৮৯ মিনিটে পেপি গোললাইনের সামান্য দূর থেকে বল বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মেরে একটি সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন।
অবশেষে ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের একদম অন্তিম মুহূর্তে গ্যালারির দর্শকদের উল্লাসে মাতান জিওভান্নি রেইনা। একক নৈপুণ্যে ডান পায়ের দুর্দান্ত এক শটে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে তিনি বল জালে জড়ালে রেফারি শেষ বাঁশি বাজান। ৪-১ ব্যবধানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে যুক্তরাষ্ট্র।


