পেটে হাত দিয়ে পাচার করা টাকা ফিরিয়ে আনা হবে: জামায়াত আমির

পেটে হাত দিয়ে পাচার করা টাকা ফিরিয়ে আনা হবে: জামায়াত আমির
নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান। সোমবার দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার পদুয়া এসিএম উচ্চবিদ্যালয় মাঠে | ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, পেটের ভেতর হাত ঢুকিয়ে আওয়ামী লীগের পাচার করা টাকা ফিরিয়ে আনা হবে। সেই টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে।

সোমবার দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার পদুয়া এসিএম উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘২৪ না হলে ২৬ পাওয়া যেত না। যারা এটাকে অস্বীকার করে তাদের এই ২৬-এ লাল কার্ড। বাংলাদেশ ১২ ফেব্রুয়ারিতে পথ খুঁজে পাবে। ডাকসু থেকে শুরু জকসুতে এসে থেমেছে। আমরা চাই দুর্নীতি, ব্যাংক ডাকাত, ঋণখেলাপী মুক্ত বাংলাদেশ।’

তিনি বলেন, ‘মাঘ মাসে মাথা যদি এত গরম হয় চৈত্র মাসে যাবে কয়। মাথা ঠান্ডা রাখ ভাই। যখন মাথা গরম হয় তখন তারা অনেক সময় বউকে মা বলে সম্বোধন করে বসে। আগামীর বাংলাদেশ গড়বে যুবকেরা। যুবকেরা ঘুমিয়ে পড়ে নাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বেকার ভাতা দিয়ে যুবক-যুবতীদের হাতে ভাতা তুলে দিতে চাই। তারা নিজ যোগ্যতায় বাংলাদেশ গড়ে দেবে। গর্ব করে বলবে এটা আমার বাংলাদেশ।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘বীরেরা কখনো মরে না। তারা জীবন দিয়ে বলে যায় আমার জীবন তোমাদের জন্য দিয়ে গেলাম। তারা সৎ রাজনীতির উপদেশ দিয়ে চলে যায়। জীবন দেব জুলাই কাউকে দেব না।’

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, ‘সাড়ে ১৫ বছর আমরা সবাই মজলুম ছিলাম। কিন্তু ১৫ মাসে তারা চাঁদাবাজে পরিণত হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারিতে বিজয়ী হলে আর দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান অলি আহমদ বলেন, ‘আমি বিএনপিতে ছিলাম। দুজন সংগঠকদের মধ্যে আমি ও জিয়াউর রহমান। দুজনে মিলে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে যায়। সেখানে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে টাকা পাচার করেছে সেগুলো থাকলে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে অন্যতম দেশ হত। এখন আওয়ামী লীগের জায়গায় বিএনপি কাজ করছে। তারা ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করতে চায়।’

অলি আহমদ আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন জিয়া, খালেদা জিয়ার বিএনপির নাই। বর্তমান বিএনপি ভাড়াটিয়া, চাঁদাবাজদের। তাই আমি বিএনপি ত্যাগ করেছিলাম। খালেদা জিয়ার অসুস্থতায় আবার যাই। কিন্তু এই চাঁদাবাজির কারণে ত্যাগ করেছি। তাদের সঙ্গে থেকে আমি দোজখে যেতে চাই না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বেইমান, দেশদ্রোহীদের হাত থেকে বাংলাদেশকে অবতীর্ণ করতে চাই। দেশ স্বাধীন রাখতে চাইলে আবারও যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হবে। একটা ভুল ভোটের কারণে দেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ হতে পারে। যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিন। ১১ দলীয় জোটের ‘র’-এর দালাল নেই।’

জনসভায় বক্তব্য দেন জামায়াতের নায়েবে আমির আ ন ম শামসুল ইসলাম, জামায়াত নেতা হামিদ হোসেন আজাদ, দক্ষিণ জেলার আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান, চট্টগ্রাম-১২ আসনের প্রার্থী ফরিদুল আলম, বান্দরবান আসনে এনসিপির প্রার্থী এস এম সুজাউদ্দিন প্রমুখ।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad