পাবনার ফরিদপুর উপজেলার মধ্য পুংগলী গ্রামে ঈদগাহ মাঠ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত গাজ্জালী মুন্সী (৫০) মারা গেছেন। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার ভোরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল থেকে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর খাজা ইউনূস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি।
এর আগে, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার মধ্য পুংগলী গ্রামে হাজী ও বাদশাহ গোষ্ঠীর মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহত গাজ্জালি মুন্সি ওই গ্রামের মৃত রমজান মুন্সীর ছেলে। তিনি হাজী গোষ্ঠীর সমর্থক ছিলেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, কুদরত এ খুদা (৪৫) ও ধলা (২৫)।
পুলিশ জানায়, গত বছর ঈদগাহ মাঠে নামাজ পড়তে গিয়ে চেয়ার নিয়ে বসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের জেরে বৃহস্পতিবার সকালে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয়পক্ষের ২০ জন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে গুরুতর আহত কয়েকজনকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
ঘটনার দিন রাতেই উভয়পক্ষ আলাদা দুটি মামলা দায়ের করেছে। পরে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকিউল আজম বলেন, সংঘর্ষের ঘটনার পর ওইদিন রাতেই উভয়পক্ষ থানায় মামলা দায়ের করেছে। পরে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে ফরিদপুর থানা-পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয় বলেও জানান তিনি।


