রাজশাহীর মধ্যচরে বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও বাসিন্দাদের দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তা কাটেনি। পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ ও গবাদিপশুর খাবারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। উঁচু এলাকায় সাপের উপদ্রবের আশঙ্কায় অনেক পরিবার বাড়িতে ফিরতে পারছে না।

কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে চরে এখন হাতে গোনা কয়েকটি পরিবার রয়েছে। অন্যরা দিনে অন্তত একবার নৌকায় করে বাড়ির খোঁজ নিতে যাচ্ছে। চরটির বিপরীত পাশে পদ্মা নদীর তীরে ডোগার ঘাট এলাকায় শত শত মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। বাড়িঘর ছেড়ে তারা নৌকায় সেখানে এসেছে। পানি কমলেও তাদের অনেকেই এখনও বাড়িতে ফিরতে পারছেন না।

এই সংকটে শত শত পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চরবাসীর প্রধান জীবিকা গবাদিপশুও তীব্র সংকটে পড়েছে। গরু রাখার নিরাপদ জায়গা না থাকায় অনেক পরিবার পশুগুলোকে সঙ্গে করে নদীর তীরে নিয়ে এসেছে।

জেলা প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে শুকনা খাবার বিতরণ করেছে। চিকিৎসাসেবার জন্য মেডিকেল ক্যাম্পও করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বন্যার সময় মানুষ ও গবাদিপশুর আশ্রয়ের জন্য দুটি বড় স্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব সরকারকে পাঠানো হয়েছে।

তবে আপাতত মধ্যচরের পরিবারগুলোর অনিশ্চয়তা কাটেনি। তাদের বাড়িঘর এখনও পানিবন্দি। ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত। স্থায়ী সমাধানের অপেক্ষায় দিন কাটছে তাদের।


