রাজধানীর পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব গোলাম কিবরিয়া হত্যা মামলায় মনিরুজ্জামান সোহেল ওরফে পাতা সোহেল ও সুজন নামে দুইজনকে চার দিন করে রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট পার্থ ভদ্র এ আদেশ দেন।
এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার ইন্সপেক্টর হানিফ মিয়া আসামিদের সাতদিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন। এর আগে, মঙ্গলবার ওই মামলায় আসামি জনি ভূঁইয়া আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, সোমবার গোলাম কিবরিয়া পল্লবী একটি স্যানিটারি দোকানে বসে দোকান মালিক ও তার বন্ধু মাসুদ রানার সঙ্গে কথা বলছিলেন। দোকানে কথা বলার সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটের দিকে সোহেল এবং মাসুমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পূর্বপরিকল্পনা ও নির্দেশনা অনুযায়ী জনি ভূঁইয়া, সোহাগ, রোকনরা দোকানে অতর্কিতভাবে প্রবেশ করে।
এ সময় কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই গোলাম কিবরিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে আসামিরা পিস্তল দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক গোলাম কিবরিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই আসামিরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তবে, স্থানীয়রা জনিকে আটক করে।
এদিকে, বাকি আসামিরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় রিকশাচালক মোহাম্মদ আরিফের রিকশায় ওঠে। চালককে দ্রুত রিকশা চালাতে বলেন তারা। চালক দ্রুত রিকশা না চালাতে পারলে আসামিরা তাকেও গুলি করে পালিয়ে যান। রিকশাচালক আরিফ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় নিহত গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার দিনা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় হত্যা মামলা করেছেন। এতে পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা সাত-আটজনকে আসামি করা হয়েছে।


