বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন পর্যটকদের জন্য নভেম্বরে খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন।
ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে পর্যটন মৌসুম। এই সময়ে প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটককে সেখানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
‘বিশ্ব পর্যটন দিবস’ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকালে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিক এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান উপদেষ্টা।
যদিও নভেম্বর ও ডিসেম্বরে শুধু দিনের বেলা ভ্রমণের অনুমতি অনুমোদন দেওয়া হবে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে সেখানে রাতযাপন করা যাবে। প্রবেশের অনুমতি পেতে নিবন্ধন করতে হবে।
পর্যটন উপদেষ্টা বলেন, সরকার পর্যটন খাতকে উন্নয়নের অন্যতম চালিকা শক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। এজন্য দায়িত্বশীল ও টেকসই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশ বৈশ্বিক পর্যটনের মানচিত্রে একটি শক্তিশালী ও স্থায়ী অবস্থান নিশ্চিত করতে কাজ করা হচ্ছে।
২০১০ সালের পর্যটন নীতি বিষয়ে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে ২০২৫ সালের হালনাগাদ খসড়া তৈরি করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘খসড়াটি অনলাইনে দেওয়া আছে, সবার মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে।’
দেশের পর্যটন খাত থেকে রাজস্ব আদায়ের বিষয়ে তিনি বলেন. ‘গত অর্থবছরে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো থেকে ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ১১০ শতাংশ। একই সময়ে সিন্ডিকেট ও ভাড়া কারসাজির সঙ্গে জড়িত ১৩টি এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।’
বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ছয়টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের নির্মাণকাজ প্রায় শেষের পথে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ পরিদর্শনে আসা পর্যটকদের জন্য বাগেরহাটে একটি নতুন ট্যুরিজম মোটেল ও যুব ইন চালু হয়েছে।’
এর আগে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নয় মাসের জন্য সেন্ট মার্টিনে পর্যটক ভ্রমণ বন্ধ ঘোষণা করা হয়।


