নোয়াখালীতে বিএনপির একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সভা শেষে ফেরার পথে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে বিএনপি। এতে দলটির অন্তত ছয় নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
শনিবার বিকালে সদর উপজেলার বাঁধেরহাট বাজারে এই ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ হৃদয়, মোহাম্মদ রবিন ও মোহাম্মাদ নিহাদের নাম জানা গেছে। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত দুজনকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, স্থানীয় কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. সেলিমের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার বিকালে বাঁধেরহাটে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ একটি মিছিল করে। ওই মিছিলের মাধ্যমে এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে ও শান্তির দাবিতে আজ শনিবার বিকালে বাঁধেরহাট বাজারে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান অভিযোগ করে বলেন, ‘বাঁধেরহাটের শান্তিপূর্ণ প্রোগ্রাম শেষে ফেরার পথে কালাদরাপের সেলিম চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আমাদের ওপর হামলা হয়। হামলায় আমাদের পাঁচ-ছয়জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এছাড়া আমাদের বহরের ১৪ থেকে ১৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। চার-পাঁচটি মোটরসাইকেল তারা ছিনিয়ে নিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার কারণেই ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও কিশোর গ্যাং নতুন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে। পুলিশ এখনই এদের নির্মূল না করলে প্রতিটি এলাকায় বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়বে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে কালাদরাপ ইউপি চেয়ারম্যান মো. সেলিমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


