নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় ডাকাত অভিযোগে তুষার নামে এক ব্যক্তিকে গণধোলাই দিয়েছে এলাকাবাসী। এতে চোখে গুরুতর আঘাত পান তিনি। শনিবার সকালে উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত তুষারকে প্রথমে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার তারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অভিজিৎ কুমার রায় বলেন, তুষারকে মারধর করার ঘটনা শুনেছি। তার পরিবারের সদস্যরা থানায় এসেছিলেন। আমরা আগে তাকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।’ পরবর্তীতে অভিযোগ পেলে আহতের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
স্থানীয়রা জানান, লোহাগাড়া থানার বয়রা গ্রামে রাস্তার পাশে কে বা কারা তুষারকে ফেলে দিয়ে গেছে। তার নামে ১০-১২টি ডাকাতি মামলা চলমান। কিছুদিন আগে জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন তিনি।
এ সময় তুষারের বিরুদ্ধে ডাকাতির পাশাপাশি ধর্ষণের অভিযোগ করে স্থানীয়রা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় চুরি-ডাকাতি বেড়ে যাওয়ায় ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই এ ঘটনা ঘটতে পারে। এর আগে তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করা হয়।
পুলিশ জানায়, তুষারের বিরুদ্ধে লোহাগড়া থানাসহ বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, চুরিসহ অন্যান্য একাধিক মামলা রয়েছে এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত।
এদিকে, আহতের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা থানায় ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য এসেছিলাম। কিন্তু আমাদের আগে চিকিৎসা করানোর কথা বলা হয়েছে। আমরা তুষারের ওপর হামলার সঠিক বিচার চাই।’


