দেশের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। শুক্রবার সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এসময় বাতাসে শতভাগ আর্দ্রতা ছিল। বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার।
ঘন কুয়াশা ও উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা উত্তরের হিমেল বাতাসে দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, যানবাহন চালক, শিশু ও বয়স্করা। তীব্র শীতে ব্যাহত হচ্ছে নিত্যদিনের জনজীবন।
কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক চালককে ধীরগতিতে গাড়ি চালাতে দেখা গেছে। কনকনে ঠান্ডার কারণে বিভিন্ন এলাকার দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ অনেকেই ভোরে কাজে বের হতে পারছেন না।
শীত নিবারণের জন্য ভোর থেকেই গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন স্থানে খড়কুটো, শুকনো পাতা ও কাঠ জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে।
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকার পাথর শ্রমিক আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে অনেক শীত অনুভূত হচ্ছে। কাজ করতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়। গরীব মানুষ, কাজ না করলেও সংসার চলে না। তাই শীতের মাঝেও কাজ করি।’
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার ওঠানামা করছে। উত্তরের হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। আগামী কয়েক দিন এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।’
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, সেদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত কয়েক দিন ধরে দুপুরের পর কিছুটা সূর্যের দেখা মিললেও কাঙ্ক্ষিত উষ্ণতা পাওয়া যাচ্ছে না।


