গাজায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনায় অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা।
শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে যুদ্ধবিরতিসহ ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তির পরিকল্পনায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। যা গত দুই বছরের ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের অবসান ঘটানোর পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
বার্তা সংস্থা এপি ও বিবিসির খবর এসব কথা জানানো হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে পাঠানো সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভা বন্দীদের মুক্তির জন্য একটি চুক্তির ‘রূপরেখা’ অনুমোদন করেছে।
ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির পরিকল্পনায় অনুমোদন দিলেও সেটি কখন শুরু হবে বা এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে কিনা তা স্পষ্ট করেনি।
তবে এপিকে একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেছেন, ‘সরকারের এই অনুমোদনের পর চুক্তি অনুযায়ী অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়ে যাওয়া উচিত। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে আগামী ২৪ ঘণ্টার পর সব সীমান্ত থেকে প্রত্যাহার করে নিদে হবে।’
তবে যুদ্ধবিরতির বৃহত্তর পরিকল্পনায় অনেক অজানা প্রশ্ন রয়ে গেছে। যেমন হামাস অস্ত্র সমর্পণ করবে কিনা এবং এরপর গাজা শাসন কার হাতে যাবে; ইত্যাদি।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়ে আশাবাদী ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। ইসরায়েলি গণমাধ্যম চ্যানেল টুয়েলভকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আজ যা হয়েছে তা নিঃসন্দেহে ঐতিহাসিক। আমরা আশা করছি, আশা করেই চলেছি যে আমাদের ভূমিতে রক্তপাত বন্ধ হবে। তা সেটা গাজা উপত্যকা, পশ্চিম তীর বা পূর্ব জেরুজালেমেই হোক না কেন।’
‘আজ আমরা খুব খুশি কারণ রক্তপাত বন্ধ হয়েছে। আশা করি যুদ্ধবিরতি বহাল থাকবে এবং আমাদের ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তি, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা বহাল থাকবে।’


