স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোন বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় গোল না খাওয়ার নতুন রেকর্ড গড়েছেন। বৃহস্পতিবার অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারানোর ম্যাচে টানা চতুর্থ ক্লিন শিট রেখে তিনি বিশ্বকাপে টানা ৫১৯ মিনিট গোল না খাওয়ার ৩৬ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙেছেন।

এর আগে ১৯৯০ বিশ্বকাপে ইতালির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ওয়াল্টার জেঙ্গা টানা ৫১৭ মিনিট গোল না খাওয়ার রেকর্ড গড়েছিলেন। সেই রেকর্ডই ভেঙে নতুন ইতিহাস লিখলেন ২৯ বছর বয়সী সিমোন।
চলমান বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত স্পেন একটি গোলও হজম করেনি। চার ম্যাচে সিমোনকে মাত্র চারটি সেভ করতে হয়েছে। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে প্রতিপক্ষের পাঁচটি শটের একটিও লক্ষ্যে ছিল না।
স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘আমি ওকে নিয়ে গর্বিত। ও আমার পরিবারের একজন সদস্যের মতো। এই অর্জনে আমি খুবই আনন্দিত।’
গত পাঁচ বছর ধরে স্পেনের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক সিমোন। ক্লাব পর্যায়ে ডেভিড রায়া ও জোয়ান গার্সিয়ার মতো সফল গোলরক্ষকদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা সত্ত্বেও জাতীয় দলে নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন তিনি।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে স্পেন চার ম্যাচে তিনটি গোল হজম করলেও সিমোনের গোল না খাওয়ার ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছিল জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ ভাগ থেকে। পরে মরক্কোর বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র এবং টাইব্রেকারে বিদায় নেওয়ার পর সেই রেকর্ড চলমান বিশ্বকাপে আরও দীর্ঘ হয়েছে।
লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে স্পেন গত ৩৭টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মাত্র একবার হেরেছে। দলটি ২০২৩ নেশনস লিগ ও ২০২৪ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছে। এবার বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত রক্ষণভাগের অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠেছেন সিমোন।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে তিনি স্পেনের কিংবদন্তি গোলরক্ষক ইকার কাসিয়াসের বিশ্বকাপে টানা গোল না খাওয়ার জাতীয় রেকর্ডও অতিক্রম করেন। এখন নকআউট পর্বে স্পেনের অন্যতম বড় ভরসা এই গোলরক্ষক।
৭ জুলাই শেষ ষোলর ম্যাচে পর্তুগালের মুখোমুখি হবে স্পেন।


