চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।
নিজ দলের এক কর্মীর মামলায় আদালত শুনানি শেষে মোজাম্মেল হকের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।
বুধবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় আসামি মোজাম্মেলকে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তার গ্রেপ্তারি আবেদনের বিপরীতে আসামি পক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহিনসহ অন্যরা জামিন শুনানির আবেদন করেন।
এ আবেদনের উপর শুনানি করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিন।
এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী মোর্শেদ শাহিন বলেন, ‘এটি একটি হয়রানিমূলক মামলা। দলের নেতা কখনো কর্মীর কাছে চাঁদা চাইতে পারেন না। প্রত্যাশিত পদ-পদবী না পাওয়াতেই ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে মোজাম্মেল হকের সম্মানহানি করতে এই মামলা হয়েছে।’
এর আগে, মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে ২৫ লাখ টাকার চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা করেন ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৪ সালে জাতীয় নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ নেতা বিএম মোজাম্মেল হক খলিলুর রহমানকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দিয়ে ধানমন্ডির অফিসে ডেকে নেন এবং নির্বাচনি খরচ বাবদ তার কাছে ২৫ লাখ টাকা দাবি করেন।
এই টাকা পরিশোধের জন্য খলিলুর রহমানকে তিন দিনের সময় দেওয়া হয়। টাকা না দিলে তাকে গুম করার হুমকি দেন মোজাম্মেল হক।
সাবেক এই এমপি তার নির্বাচনি এলাকা শরীয়তপুরেও ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবসায়িক সমিতির কাছে নানাবিধ অভিযোগ ও হুমকির দিয়ে তার ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য করেন বলেও মামলায় অভিযোগ করা হয়।
গত ৫ অক্টোবর ঢাকার নিকেতন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।


