চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে টাইমস অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে টাইমস অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) উদযাপন করা হয়েছে টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কনফারেন্স রুমে এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়।

টাইমস অব বাংলাদেশের চবি প্রতিনিধি মহসিনের সঞ্চালনায় আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী, ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা কেন্দ্রের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, সহকারি প্রক্টর মো. কামরুল হোসেন, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন নিপু।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন টাইমস অব বাংলাদেশের সিনিয়র রিপোর্টার শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী, ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন, চাকসু জিএস সাঈদ বিন হাবিব, এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক, চবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি রেফায়েত উল্যাহ রুপক, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানাসহ সাংবাদিক সমিতির অন্যান্য নেতা, সাধারণ সদস্য এবং বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, ‘টাইমস অব বাংলাদেশ তার এক বছর অতিক্রম করেছে। একটা পত্রিকার সমস্ত বিষয়বস্তু নিয়ে মূল্যায়ন করার জন্য এক বছর খুব বেশি সময় নয়। তবে সূর্যের আলো দেখলেই বোঝা যায় দিনটি কেমন যাবে। তেমনিভাবে একটি পত্রিকার প্রকাশিত সংবাদগুলো কি পরিমাণ জনহিতকর, জনবান্ধব, মানুষের কল্যাণে বস্তুনিষ্ঠ এবং সংবেদনশীল ছিল এসব বিষয় দেখলেই বোঝা যায়। টাইমস অব বাংলাদেশ কতগুলো মাইলফলক ছুঁয়েছে এবং এগিয়ে যাচ্ছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ। বস্তুনিষ্ঠ ও মানুষের কল্যাণমুখী সংবাদ যেন ছাপা হয় সে বিষয়ে তারা ব্যবস্থা নিবে বলে আশা করি।’

আরও পড়ুন

যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন নিপু বলেন, ‘বাংলাদেশের একটি প্রতিশ্রুতিশীল সংবাদপত্র হিসেবে টাইমস অব বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। পত্রিকার পৃষ্ঠাসজ্জা, নিউজ প্রেজেন্টেশন এবং সম্পাদকীয়সহ অন্যান্য পৃষ্ঠাগুলো খুবই চমৎকার। বিশেষভাবে ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে খুব ভালো ভূমিকা রাখছে। একটি ছবি যে হাজারো শব্দের চেয়ে শক্তিশালী তা বিভিন্ন ছবি তুলে ধরার মধ্য দিয়ে, ফটোস্টোরি করার মধ্য দিয়ে দেখা যাচ্ছে। টাইমস অব বাংলাদেশ অন্যরকম ইমেজ তৈরির চেষ্টা করছে।’

ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা কেন্দ্রের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘​আমরা চাই সংবাদপত্রগুলো একটা বস্তুনিষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করুক। আমরা অন্ধকারকে অতিক্রম করে আলোর দিকে তাকাবো এবং আশা করব, টাইমস পত্রিকা আমাদেরকে সেই দিকে ধাবিত করবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ‘বাংলাদেশে মিডিয়ার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বাংলা মাধ্যমে তো অনেকগুলো মিডিয়া রয়েছে, ইংরেজি মাধ্যমে যে মিডিয়াগুলো রয়েছে তার মধ্যে নতুন প্রজন্মের টাইমস অব বাংলাদেশ চমৎকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ​গত এক বছরে তারা অর্থনীতি, রাজনীতি, বাংলাদেশের তথ্য সম্প্রচার, সুবিধা-অসুবিধা উপস্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’

আমন্ত্রিত অতিথিদের বক্তব্য শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কেক কেটে টাইমস অব বাংলাদেশ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর