চট্টগ্রামের সিইপিজেড এলাকায় পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। তারা হলেন- বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের তামান্না এবং চট্টগ্রামের ইপিজেড নিউমুরিং ফ্রি পোর্ট এলাকার মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে মো. খলিল। তামান্না সিইপিজেডের স্মার্ট জ্যাকেট কারখানায় কাজ করতেন এবং খলিল পাঠাও বাইক চালক বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তামান্নার স্বামী জানান, সকাল ৮টার ডিউটি ছিল তার স্ত্রীর। সকালে বাসা থেকে বের হয়ে কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য রাইড শেয়ারিংয়ের একটি মোটরসাইকেলে ওঠেন তিনি। সিইপিজেডের ৫ নম্বর সড়ক এলাকায় পৌঁছালে পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেলটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে তামান্না ও মোটরসাইকেলচালক খলিল গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
তামান্নার স্বামী টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ছুটে আসি। আমার স্ত্রী স্মার্ট জ্যাকেট নামের একটি কারখানায় কাজ করতেন। আমাদের দুটি ছোট সন্তান রয়েছে। বড় ছেলের বয়স ছয় বছর, ছোট মেয়ের চার বছর।’
স্ত্রী ও মোটরসাইকেলচালক দুজনেরই মৃত্যুর ঘটনায় শোকাহত ওই ব্যক্তি বলেন, ‘দুজনই একসঙ্গে মারা গেল। এখন আমি কার নামে মামলা করব, সেটাই বুঝতে পারছি না।’
দুর্ঘটনার বিষয়ে জানতে পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. পারভেজকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। ঘটনাস্থলে দায়িত্বে থাকা উপপরিদর্শক (এসআই) আল আমিনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি থানায় গিয়ে খবর নিতে বলেন।
দুর্ঘটনার পর পিকআপটির চালক বা গাড়িটির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।


