কক্সবাজারের চকরিয়ায় পরোয়ানাভুক্ত এক আসামি ধরতে গিয়ে হঠাৎ মারা গেছেন পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রূপন কান্তি দে (৪২)।
প্রাণ হারানো রূপন চকরিয়ার হারবাং পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।
সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে হারবাং ইউনিয়নের হারবাং স্টেশন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এএসআই রূপন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কদমতলী গ্রামের মৃত হরিপদ দের ছেলে।
হারবাং স্টেশন এলাকার কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, কয়েক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা স্থানীয় যুবলীগ কর্মী জুনাইদকে ধরতে এসআই মোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে এএসআই রূপন কান্তি দেসহ একদল পুলিশ হারবাং স্টেশন এলাকায় যান। সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে জুনাইদকে জাপটে ধরেন এসআই মোফাজ্জল। তখন এএসআই রূপন জুনাইদের প্যান্টের বেল্ট ধরে দাঁড়িয়ে থাকেন।
প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এসআই মোফাজ্জল বেধড়ক জুনাইদকে পেটাতে থাকেন। এই অবস্থায় জুনাইদের প্যান্টের বেল্ট ছেড়ে দিয়ে মুহূর্তের মধ্যেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এএসআই রূপন কান্তি। ওই সময় রূপনকে নিয়ে পুলিশের অন্য সদস্যরা ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়লে জুনাইদ পালিয়ে যান।
চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান জয়নুল আবেদীন জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তানিয়ার বরাত দিয়ে জানান, সোমবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে মৃত অবস্থায় পুলিশ সদস্য রূপনকে জরুরি বিভাগে আনা হয়। তার শরীরে জখমের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। হয়তো ময়নাতদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে ঠিক কী কারণে রূপন মারা গেছে।


