গাইবান্ধায় প্রাক্তন স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যার চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১

গাইবান্ধায় প্রাক্তন স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যার চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১
ভুক্তভোগী শিক্ষিকা। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে এক শিক্ষিকাকে গলাকেটে হত্যাচেষ্টা মামলায় প্রাক্তন স্বামী আতাউরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে, সোমবার বিকালে ওই শিক্ষিকাকে গলাকেটে হত্যাচেষ্টা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

আহত শিক্ষিকার নাম শারমিন সুলতানা (৩৭)। তিনি উপজেলার নলডাঙ্গার মৃত বজলার রহমান মন্ডলের মেয়ে ও জুনিদপুর ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষিকা।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের চক নারায়ণ গ্রামের আমজাদ আলী মন্ডলের ছেলে আতাউর রহমানের সঙ্গে শারমিন সুলতানার বিয়ে হয়েছিল। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এরই মধ্যে আতাউর রহমান বিভিন্ন অজুহাতে শারমিন সুলতানাকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করছিলেন। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে দুই বছর আগে শারমিন বিবাহবিচ্ছেদ করেন। এরপর দুই সন্তান নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান শারমিন। সেখান থেকে ওই মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন তিনি।

তার প্রাক্তন স্বামী আতাউর রহমান প্রায়ই সেখানে গিয়েও শারমিনকে হুমকি ও মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আসেন। একপর্যায়ে সোমবার দুপুরের দিকে আতাউর রহমান ওই মাদ্রাসায় গিয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে মারধরের চেষ্টা করলে সহকারী শিক্ষকরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন।

আরও পড়ুন

ওইদিন বিকালে আতাউর রহমান আবারও ক্ষিপ্ত হয়ে নলডাঙ্গার শামিম মিয়ার দোকানের সামনে শারমিনের ছেলে শাকিবুল হাসান সিহাবকে (১১) আটক করে মারধর করেন। খবর পেয়ে শারমিন এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। এ সময় ধারালো কাঁচি দিয়ে শারমিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় আঘাত করেন আতাউর।

ভুক্তভোগী শারমিন সুলতান বলেন, ‘আতাউরের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ার পরও আমাকে প্রায়ই হত্যার হুমকি দিচ্ছে। এতে দুই সন্তান নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’

‘এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই থানায় মামলা দায়ের করেছি। এর পরপরই আতাউরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ’, যোগ করেন ভুক্তভোগী।

সাদুল্লাপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক সুজন সরকার বলেন, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আসামি আতাউরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad