সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মধু সংগ্রহের জন্য স্থাপিত ২৬০টি মৌবাক্স পুকুরে ফেলে লাখ লাখ মৌমাছি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট মৌচাষীরা। এ ঘটনায় কলারোয়া থানায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন শ্যামনগর উপজেলার হরিনগর গ্রামের মৌচাষী মো. জাহাঙ্গীর আলম।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ সেপ্টেম্বর তিনি ট্রাকে করে ২৮০টি মৌবাক্স এনে মধু সংগ্রহের জন্য কলারোয়া উপজেলার মীরডাঙ্গা গ্রামের ইমামুল ইসলামের আম বাগানে স্থাপন করেন। তিনি নিজেই মৌবাক্সগুলো দেখাশোনা করতেন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ১টা পর্যন্ত তিনি তার মৌবাক্সগুলো পাহারা দেন। এরপরে ঘুমাতে যান। সকাল ৬টার দিকে ঘুম উঠে তিনি দেখেন তার ২৮০টি মৌবাক্সের মধ্যে ২৬০টি মৌবাক্স বাগানের পাশের দুটি পুকুরে মৌমাছিসহ ফেলে দেওয়া হয়েছে। এতে তার মৌবাক্সগুলোতে থাকা রানী মৌমাছিসহ লাখ লাখ মৌমাছি মারা যায়। এতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি।

মৌচাষী মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মৌবাক্সগুলো নষ্ট করে দেওয়ায় তার সব শেষ হয়ে গেছে। এখানে তিনি প্রতিবছরই আসেন। এবারই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেন। এতে তার অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ এরই মধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত কার্যক্রম শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে গত বছরের ২৬ নভেম্বর কলারোয়ায় বিষ দিয়ে এক মৌচাষীর লাখ লাখ মৌমাছি হত্যার ঘটনা ঘটেছিল।


