ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় অধিকতর (সম্পূরক) তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পিছিয়ে আগামী ২৮ জুন ধার্য করেছে আদালত।
বুধবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ছিল। তবে এ দিন মামলার তদন্ত সংস্থা ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তাই সম্পূরক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন করে এই তারিখ ধার্য করে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালত।
এ নিয়ে মামলাটিতে অধিকতর প্রতিবেদন জমা দিতে ১৬ বারের মত সময় পেলেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
ঢাকা মহানগর প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রুকনুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গত ৬ জানুয়ারি মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন। এরপর গত ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের নারাজি জমা করেন। ওইদিন আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, শরিফ ওসমান হাদি ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম ইনকিলাব মঞ্চ গঠন করে সেটির মুখপাত্রের দায়িত্বে ছিলেন। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে নির্বাচনি প্রচারে অংশ নেওয়া শেষে ফেরার পথে পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় পৌঁছলে রিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায় মোটর সাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা।
এতে তার মাথা ও ডান কানের নিচের অংশে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। এক সপ্তাহ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। পরবর্তীতে তা হত্যা মামলায় রূপ নেয়।


