এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য এখনো মেলেনি চিকিৎসকদের সবুজ সংকেত

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য এখনো মেলেনি চিকিৎসকদের সবুজ সংকেত
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
Advertisement
Advertisement

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিয়ে যেতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তোলার বিষয়ে এখনো চিকিৎসকদের সবুজ সংকেত পাওয়া যায়নি। ফলে কবে নাগাদ তাকে লন্ডনে নেওয়া হবে তা এখনো নিশ্চিত নয়।

কাতার আমিরের বিশেষ উদ্যোগে জার্মানি থেকে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের শনিবার ঢাকায় আসার কথা ছিল। সে অনুযায়ী বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) অনুমতিও দিয়েছে।

তবে কাতার দূতাবাসের জনসংযোগ কর্মকর্তা আসাদুর রহমান শুক্রবার গণমাধ্যমে বলেন, চিকিৎসকদের গ্রিন সিগন্যাল আসতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে। চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত জানার পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আসবে, আর তার জন্য অন্তত একদিন আগে জানাতে হবে।

শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।

যদিও ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাতারের একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স অবতরণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ফলে সেটি এখন যেকোনো সময় বাংলাদেশে আসতে পারবে।

একটি সূত্র বলছে, আগামী মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় জর্জিয়ার তিবলিসি শহর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছাড়বে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি। সেদিনই হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। এরপর পরদিন বুধবার সকাল ৮টায় সেটি ঢাকা ছেড়ে যাবে।

আরও পড়ুন

প্রাথমিকভাবে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষকে এই সময়সূচিই দেওয়া হয়েছে বলে একটি সূত্র টাইমসকে নিশ্চিত করেছে।

এর আগে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, শুক্রবার খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়া হবে। তবে কারিগরি ত্রুটির কারণে কাতার আমিরের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি আসতে পারেনি। ফলে খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার বিষয়টি পিছিয়ে যায়।

এখন যে অ্যাম্বুলেন্সটি আসছে সেটি জার্মানির হলেও, ভাড়া থেকে শুরু করে যাবতীয় ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়েছে কাতার সরকার।

গত ১৩ দিন ধরে খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার বড় ছেলে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান শুক্রবারই দেশে এসেছেন। তিনিই খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিয়ে যাবেন।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত খালেদা জিয়ার দুই পুত্রবধূ জুবাইদা রহমান এবং শামিলা রহমান হাসপাতালে তার পাশেই ছিলেন।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এর আগে, চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তিনি দেশে ফিরে আসেন ৬ মে।

২৩ নভেম্বর রাত থেকে শ্বাসকষ্টের কারণে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং পরবর্তী সময়ে নিউমোনিয়া, কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসের পুরোনো সমস্যা নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad